BES memorandum
From Dr. Mashiur Rahman :: ICT expert :: VoIP & Nanotechnology
A draft memorandum for Bangladesh e-learning society was developed by K M Nur (Lect., Dept. of Computer Science, Stamford University, Bangladesh) and Dr. Mashiur Rahman (Assistant Professor Dr. Mashiur Rahman) Date: 03 Sep 2008
PDF file:File:BES memorandum v1.pdf
Bangla text in Unicode
গঠনতন্ত্র
সংগঠনের নামঃ বাংলাদেশ ই-লার্নিং সোসাইটি
ঠিকানাঃ ইমেইল: ওয়েব সাইট:
সংস্থার ঐতিহাসিক পটভুমি:
ধারা নং- ০১ ঃ
একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম পূর্ব শর্ত হলো সেদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি। শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগামী দেশগুলোকেই দেখা যায় স্বাবল¤ী^ রূপে। উন্নত বিশ্বে শিক্ষার এই অগ্রগতি সাধনের প্রধান কারণ হলো সে দেশের কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবস্থার উন্নতি। আমাদেরও সময় এসেছে সে পথ অবলম্বনের। বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিতেই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবস্থার মাধ্যমে বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষাকে জনপ্রিয় করার প্রত্যয়েই “বাংলাদেশ ই-লার্নিং সোসাইটি” প্রতিষ্ঠার এই উদ্যোগ।
প্রতিষ্ঠানের নাম : এই প্রতিষ্ঠান “বাংলাদেশ ই-লার্নিং সোসাইটি নামে পরিচিত হবে। ইংরেজিতে: Bangladesh e-learning Society সংক্ষেপে: BES (বেস)
ধারা নং -০২ ঃ
প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা: ডাক: ইমেইল: ওয়েব সাইট:
ধারা নং-০৩ঃ
কমর্ এলাকা : সমগ্র বাংলাদেশ এর কর্ম এলাকা রূপে পরিগনিত হবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হবে এর প্রধান কর্মক্ষেত্র।
ধারা নং-০৪ ঃ
সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: এই সংস্থা অলাভ জনক স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যানমূলক ও অরাজনৈতিক সংস্থা। সংবিধান অনুসারে নিম্নবর্ণিত উন্নয়ন এবং সেবা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার মাধ্যমে জনসাধারণের সেবা করা। ০১। যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রনিক মাধ্যমে শিক্ষা প্রসারে কাজ করছে তাদের সহযোগিতা করা। ০২। উন্নত বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থাকে অনুসরন করে দেশের শিক্ষাকে সমৃদ্ধ করা। ০৩। দেশের শিক্ষার অনগ্রসরতার কারণ সমূহ খুঁজে বের করে সেগুলো দূরীভূত করণের প্রচেষ্টা করা। ০৪। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। ০৫। ইলেকট্রনিক শিক্ষা বিষয়ক গবেষণায় উদ্বুদ্ধ ও সহায়তা করা। ০৬। ই-লার্নিং বিষয়ক সভা, সেমিনার এর আয়োজন করা। ০৭। ০৮। ০৯। ১০।
ধারা নং -০৫ ঃ সংস্থার সদস্য হওয়ার নিয়মাবলী ঃ-
ক) এই সংস্থার নিয়মাবলী, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মেনে চলতে আগ্রহী যে কোন ব্যক্তি সংস্থার নির্বাহী কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের কাছে সদস্য পদের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে পারবেন। ফরমে দুইজন সদস্যের সুপারিশ থাকতে হবে। খ) ভর্তি ফি বাবদ নির্ধারিত *** টাকা সংগঠনের তহবিলে জমা দিতে হবে। গ) সদস্য পদ প্রদান করা বা না করার পূর্ণ এখতিয়ার নির্বাহী পরিষদের থাকবে। তবে এইরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে। ঘ) সদস্য পদ প্রার্থীর বয়স সর্বনিু ১৮ (আঠার) বছর হতে হবে। ঙ) সংস্থার উদ্দেশ্য সমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রত্যেক আবেদনকারীকে এককালীন অনুদান হিসেবে **** টাকা সংগঠনের তহবিলে জমা দিতে হবে। চ) নির্ধারিত আবেদন ফি এককালীন অনুদান আবেদনের সাথে জমা দিতে ব্যর্থ হলে তার আবেদন কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক বিবেচিত হবে না। ছ) প্রত্যেক সদস্যের মাসিক চাঁদা **** টাকা মাসের শুরুতে পরিশোধ করতে হবে। জ) কার্য নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চাঁদার হার বাড়ানো কমানো যাবে। কার্য নির্বাহী পরিষদ ইচ্ছা করলে সংস্থার তহলি বৃদ্ধির জন্য বা অন্য কোন বিশেষ কারণে সদস্যের উপর বিশেষ চাঁদা , দান, অনুদান ধার্য্য বা গ্রহণ করিতে পারিবেন।
ধারা নং-০৬ ঃ সদস্যের শ্রেনী বিন্যাস
এই প্রতিষ্ঠানে তিন শ্রেণীর সদস্য থাকবে।
০১। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ০২। আজীবন সদস্য ০৩। সাধারণ সদস্য
০১। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ঃ যে সব ব্যক্তি এ সংস্থা গঠণের জন্য প্রয়োজনীয় অবদান রেখেছেন এবং সদস্য পদ গ্রহণ করেছেন তারা সবাই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।
০২। আজীবন সদস্য ঃ যে সব ব্যক্তি এ সংস্থার গঠনতন্ত্রের ৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সদস্য হওয়ার যোগ্য তারা এককালীন **** সংস্থার তহবিলে জমা দিয়ে এবং কমপক্ষে ১০ বছর সংস্থার কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করে, সংস্থার সাধারণ পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে আজীবন সদস্য পদ লাভ করতে পারিবেন। আজীবন সদস্যকে মাসিক চাঁদা প্রদান করতে হবেনা।
০৩। সাধারণ সদস্য ঃ যে কোন ব্যক্তি এ সংস্থার গঠণতন্ত্রের ৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সদস্য হওয়ার যোগ্য তিনি নিম্নের নিয়ম অনুসরণ করে সাধারণ সদস্য পদ লাভ করতে পারবেন।
ক) নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। খ। *** টাকা ভর্তি ফি বাবদ এবং মাসিক চাঁদা *** টাকা আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে। গ) সংস্থার গঠনতন্ত্রের বিধান ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে চলার অঙ্গীকার করতে হবে।
ধারা নং-০৭ ঃ সদস্য পদ সাময়িক স্থগিত ও বাতিলকরণ:
নিম্নে বর্ণিত কারণে কার্য নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে কোন সদস্যের সদস্য পদ স্থগিত ও বাতিল করা যাবে। ১) সংস্থার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য পরিপন্থী কোন কাজ করলে; ২) ধারাবাহিকভাবে তিনটি সভায় কারণ দর্শানো ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে; ৩) সংগঠনের পরিপন্থি কোন কাজ করলে; ৪) কোন সদস্যের মৃত্যু বা উম্মাদ হলে; ৫) নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত হলে; ৬) কোন সদস্য এই সংস্থায় চাকুরী গ্রহণ করলে; ৭) ফৌজদারী দন্ড বিধি অনুযায়ী কারাদন্ড ভোগ করলে; ৮) স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে; ৯) পর পর তিন মাস চাঁদা প্রদান না করলে।
ধারা নং-০৮ ঃ পুনঃ সদস্য পদ লাভের পদ্ধতি
যে কোন সদস্য সদস্যা পদ হারালে তার ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলে এমন সদস্য/ সদস্যাকে ভর্তির জন্য নতুনভাবে আবেদন করতে হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদেও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাহাকে পুনঃ সদস্য পদ দেয়া যাবে।
ধারা নং-০৯ ঃ সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামো ঃ
এই সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি তিন প্রকারের হবে। ক) সাধারণ পরিষদঃ- খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ গ) উপদেষ্টা পরিষদ
সাধারণ পরিষদ গঠন ও কার্যাবলী ক) সংস্থার সাধারণ বৈধ সদস্য নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে। খ) উক্ত পরিষদ সংস্থার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হবে। গ) সংস্থার সাধারণ পরিষদের সদস্য গণ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচন করবেন। ঘ) সংস্থার সাধারণ সভায় উক্ত পরিষদ সংস্থার বাজেট অনুমোদন, কর্মসূচীর ও কার্যাবলীর পর্যালোচনা এবং মতামত প্রদান করবেন ও চুড়ান্ত অনুমোদন করবেন। ঙ) উক্ত পরিষদ সংস্থার সাধারণ সভায় আয়-ব্যয়ের হিসাব পর্যালোচনা করবেন এবং অনুমোদন করবেন। চ) উক্ত পরিষদ সংস্থার সাধারণ সভায় সংস্থার সাংবিধানিক ধারা /উপ ধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংযোজন অনুমোদন প্রদান করবেন।
কার্য নির্বাহী পরিষদঃ
সংগঠনের সাধারণ সদস্য হতে বাছাই, মনোনয়ন বা নির্বাচনের মাধমে ১১ ( এগারো সদস্য বিশিষ্ট কার্য নির্বাহী পরিষদ ১(এক) বছরের জন্য গঠিত হবে। এবং পদ সমুহ নিম্নরূপ থাকবে। নিয়মিত কার্য নির্বাহী পরিষদকে নিবন্ধীকরণ কর্র্র্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
০১। সভাপতি ঃ ১ (এক) জন ০২। সহ-সভাপতি ঃ ২ (দুই) জন ০৩। সাধারণ সম্পাদক ঃ ১ (এক) জন ০৪। সহ সাধারণ সম্পাদক ঃ ২ (দুই) জন ০৫। সাংগঠনিক সম্পাদক ঃ ১ (এক) জন ০৬। কোষাধ্যক্ষ ঃ ১ (এক) জন ০৭। কার্য নির্বাহী সদস্য ঃ ৩ (তিন) জন
মোটঃ ১১ (এগার) জন কার্য নির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ঃ
ক) উক্ত পরিষদ সাধারণ ও আজীবন সদস্য দ্বারা নিবাচিত হবে। খ) উক্ত পরিষদ সংস্থার উন্নয়ন কল্পে প্রকল্প প্রণয়ন ও সঠিক বাস্তবায়ন করবেন। গ) উক্ত পরিষদ সংস্থার উন্নয়ন কল্পে সিদ্ধান্ত গ্রহণ পূর্বক দাতা সংস্থার সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের জন্যপ্রকল্প প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ণের জন্য সহযোগিতা প্রদান করবেন। ঘ) উক্ত পরিষদ সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ পূর্বক কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। পরিষদের সভাপতি পদাধিকার বলে কর্মকর্তা/কর্মচারীর প্রধান হিসাবে গণ্য হবেন। সংস্থার কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সভাপতি অপরাধ জনিত কারণে যে কোন কর্মকর্তা/কর্মচারীকে উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে বরখাস্ত এবং পুনঃ নিয়োগ করতে পারবেন। ঙ) কার্য নির্বাহী পরিষদের সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠু ভাবে বাস্তবায়নের জন্য সাধারণ পরিষদেও সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংস্থার কার্য এলাকার জন্য যে কোন স্থানে প্রকল্প স্থাপন করতে পারবেন। চ) কার্য নির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত গ্রহণ পূর্বক কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। উক্ত বিজ্ঞপ্তি কমিটির সভাপতি প্রকাশ করবেন। ছ) কার্য নির্বাহী পরিষদ সকল খরচ ও কাজের প্রাথমিক অনুমোদন গ্রহণ করবেন। জ) কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ বা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে অবশ্যই নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
ধারা নং- ১০ঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী
ক) সভাপতি
পদাধিকার বলে তিনি সংস্থার প্রধান হিসেবে গণ্য হবেন। তিনি উভয় পরিষদের সভায় সভাপত্বিত করবেন এবং সভার শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা রক্ষা করবেন। তিনি উভয় সভা আহ্বানের জন্য তিনি সাধারণ সম্পাদক কে অনুরোধ করবেন। কোন কারনে কার্যনির্বাহী পরিষদ বিলুপ্ত ঘটলে তিনি সংস্থার সার্বিক দায়ভার গ্রহণ করবেন। তিনি সংস্থার অর্থ সংক্রান্ত সকল কাজের মুঞ্জুরী প্রদান, বিল, ভাউচার অনুমোদন ও পাশ করবেন। সভাপতি সংস্থার স্বার্থে জরুরী বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাবান হবেন। সকল কর্মকান্ডে সাধারণ সম্পাদক পরামর্শ প্রদান করবেন।
খ) সহ-সভাপতি সভাপতির অনুপস্থিতিতে তিনি সভাপতির সমান দায়িত্ব পালন করবেন।
গ) সাধারণ সম্পাদক
পদাধিকার বলে তিনি সংস্থার প্রধান নির্বাহী হিসেবে গন্য হবেন। তিনি সভাপতির পরামর্শক্রমে উভয় পরিষদের সভা আহবান করবেন এবং সভা পরিচালনায় তিনি সভাপতিকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন। সভা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রদান, কার্যবিবরণী লিপি বদ্ধ সভাপতি কর্তৃক অনুমোদন এবং সংরক্ষণ করবেন। সংস্থার স্বার্থ সংরক্ষনের ক্ষেত্রে সভাপতির সহিত আলোচনা সাপেক্ষে জরুরী ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন । তবে অবশ্যই তা পরবর্তী কার্যনির্বাহী সভায় অনুমোদন করে নিতে হবে। যেহেতু তিনি সংস্থার কার্যনির্বাহী প্রধান বিধায় সর্ব সম্মতি ক্রমে তাকে সংস্থার নির্বাহী পরিচালক হিসাবে নিয়োজিত করতে পারবেন। তিনি নির্বাহী পরিচালক হিসাবে সকল দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। তিনি তার সকল কর্মকান্ড অবশ্যই সভাপতিকে অবহিত করবেন। ঘ) সহ-সাধারণ সম্পাদক তিনি সাধারণ সম্পাদকের কাজের সহযোগিতা করবেন এবং সংস্থার স্বার্থে যে কোন কল্যাণ কাজে ভূমিকা রাখবেন।
ঙ) কোষাধ্যক্ষ
সংস্থার ও কর্মসূচীর যাবতীয় আমানত, হিসাব ব্যাবস্থাপনার ক্ষেত্রে যথাযথ ভাবে বুকস্ অব একাউন্ট রাখা, নিয়মিত ভাবে সদস্যদের নিকট হতে চাঁদা সংগ্রহ এবং নির্দিষ্ট তফসিল ব্যাংকে টাকা জমা রাখবেন। সংস্থার হিসাব হাল নাগাদ রাখা, সংস্থার প্রতিনিধিদের কেউ হিসাব দেখতে বা বুঝতে চাইলে তিনি তাহা দেখাবেন এবং বুঝাবেন। তিনি হিসাব সংক্রান্ত নথি এবং সকল প্রকার ভাউচার সংরক্ষণ করবেন।
চ) সাংগঠনিক সম্পাদক
সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন এবং নির্ধারিত ধারা অনুসরণ করে তিনি সদস্য তালিকা ভূক্ত করবেন। সাংগঠনিক কোন্দল নিরসনে তিনি ভূমিকা রাখবেন এবং সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নিস্ক্রিয়তায় সভা আহবান করতে পারবেন। নিজের কাজের জন্য তিনি সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এবং কার্য নির্বাহী পরিষদের নিকটও দায়ী থাকবেন।
ছ) নির্বাহী সদস্য
কার্য- নির্বাহী সদস্যগণ বিভিন্ন প্রকার অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করবেন। বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সভাপতিকে সহযোগিতা করবেন। সংস্থার স্বার্থ সংস্লিষ্ট বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।
ধারা নং- ১১ ঃ নির্বাচন
ক) প্রতি এক বছর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হলে সংস্থার সভাপতি আনুষ্ঠানিক ভাবে নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্বাচনের আহ্বান করবেন।
খ) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার অথবা নির্বাচনের একমাস পূর্বে সাধারণ সদস্যপদ বহাল রাখতে না পারলে কোন সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না ।
গ) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হলে, পূর্ব পরিষদ বহাল রাখার ক্ষেত্রে সাধারণ সদস্যগণ একমত পোষণ করলে সে ক্ষেত্রে ভোটের প্রযোজন হবে না।
ঘ) পুরাতন কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার একমাস পূর্বে কার্যনির্বাহী পরিষদ উভয় পরিষদ হতে সম্মিলিত ভাবে তিন সদস্যেও একটি নির্বাচন উপ কমিটি গঠন করতে পারবেন। এই কমিটি নির্বাচন পরিচালনা করবেন। তারা ভোটাধকার প্রয়োগ করতে পারবেন কিন্তু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। উক্ত কমিটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করবেন। নগদ অফেরত যোগ্য *** টাকা জমা দিয়ে মনোনয়ন পত্র গ্রহণ করতে পারিবেন এবং জমা দিতে পারবেন। নির্বাচন গোপন ব্যালট বা হাত উঠানোর মাধমে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন উপকমিটি সিদ্ধান্ত নিবেন। কোন প্রার্থী একাধিক পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। নির্বাচন সংক্রান্ত সকল বিষয়ে নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর পরই আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচিত প্রার্থীগণ দায়িত্ব ভার গ্রহণ করবেন।
ধারা নং- ১২ ঃ সংস্থার সভা সমূহ
সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠু ভাবে পালন করার জন্য পাঁচ প্রকারের সভা আহবান করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ক) সাধারণ সভাঃ বছরে কমপক্ষে দুইবার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। কমপক্ষে ১৫দিন পূর্বে ই-মেইল কিংবা ফোনের মাধ্যমে জানাতে হবে।
খ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা ঃ একমাস অন্তর অন্তর এ সভা অনুিষ্ঠত হবে। সাধারণ সম্পাদক সাতদিন পূর্বে ই-মেইল কিংবা ফোনের মাধ্যমে স্থান ও সময় উল্লেখ করে কার্যনির্বাহী পরিষদকে অবহিত করবেন।
গ) জরুরী সভা ঃ জরুরী প্রয়োজনে বা ২৪ ঘন্টার নোটিশে সভাপতির অনুমতিক্রমে সাধারণ সম্পাদক এ সভা আহ্বান করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের কোরাম ২/৩ সদস্যের উপস্থিতিতে এ সভা হতে হবে।
ঘ) তলবী সভা ঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা সঠিক ভাবে পরিচালিত না হলে এমতাবস্থায় সংস্থার সাধারণ সদস্যের ২/৩(দুই তৃতীয়াংশ) অনুরোধে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক এ সভা আহবান করতে পারবেন। এ সভায় গৃহীত সকল সিদ্ধান্ত সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
ঙ) মুলতবী সভাঃ কোরামের অভাবে সভা পরিচালনা করা না গেলে পরবর্তী সময়ে এ সভা পরিচালনা করবার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই ক্ষেত্রে কোরামের প্রয়োজন হবেনা।
ধারা নং- ১৩ ঃ সংস্থার আয় ও ব্যয়ের উৎস সমূহ ঃ
প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠাতাদের ব্যক্তিগত অনুদানেই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের অনুদান বা চাঁদা, সদস্যদের মাসিক চাঁদা, সরকারী-বেসরকারী অনুদান, দেশ-বিদেশী সাহায্য সংস্থার উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়লব্দ অর্থ দ্বারা সংস্থার তহবিল গঠিত হবে।
ধারা নং- ১৪ ঃ সংস্থার ব্যাংক হিসাব ঃ
ক) প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়ের সঠিক হিসাব এবং অর্থনৈতিক কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য যে কোন তফশীল ব্যাংকের যে কোন শাখায় প্রতিষ্ঠানের নামে একাধিক চলতি/ সঞ্চয়ী হিসাব, খোলা যাবে। তাতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কোষাধ্যক্ষেও যৌথ স্বাক্ষর থাকবে।
খ) উক্ত হিসাবটি পরিচালনার জন্য সভাপতির স্বাাক্ষরসহ সাধারণ সম্পাদক অথবা কোষাধ্যক্ষ এই ৩ (তিন) জনের যে কোন ২( দুই) জনের যৌথ স্বাক্ষরে হিসাব পরিচালিত হবে। তবে স্বাক্ষর অবশ্যই থাকতে হবে। গ) সংস্থার প্রয়োজনে বাংলাদেশের যে কোন স্থানে তফশীল ব্যাংকে একাধিক হিসাব খোলা যাবে। ঘ) সংস্থার বিভিন্ন প্রকল্পের নামে যে কোন তফসীল ব্যাংকে পৃথক পৃথক হিসাব খোলা যাবে। তবে উক্ত হিসাব একক স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।
== ধারা নং- ১৫ ঃ সংস্থার হিসাব নিরীক্ষা ঃ ==
সংস্থার এলাকাধীন সংশ্লিষ্ট সমাজ সেবা অফিসার অথবা নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োগকৃত হিসাব পরীক্ষক দ্বারাই সংস্থার হিসাব নিরীক্ষা এবং উক্ত হিসাব নিরীক্ষাই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
ধারা নং- ১৬ ঃ গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও সংশোধণ
সময় পরিবশে বা পরিস্থিতির কারণে বা অন্য কোন কারণে গঠণতন্ত্রের যে কোন ধারা, উপ-ধারা সংশোধন, পরিবর্তন, সংযোজন, সংকোচন করা যাবে। তবে তা অবশ্যই সাধারণ পরিষদের সভায় সিদ্ধান্তের আলোকে হবে। প্রয়োজনে একই নিয়মে সংস্থার নামও পরিবর্তন করা যাবে। তবে সংশোধিত গঠনতন্ত্র বা নাম নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের চুড়ান্ত অনুমোদনের পর তা কার্যকর হবে।
ধারা নং- ১৭ ঃ প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তি সাধন
যদি কোন কারণ বশতঃ সংস্থার অবসান বা বিলুপ্তি ঘটাতে হয় তবে তা সাধারণ পরিষদ সদস্যদের ৩/৫ সদস্যের অনুমোদন ক্রমে নির্ধারিত ফর্মে রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের বরাবর আবেদন করতে হবে। সংস্থার সমস্ত দায়-দায়িত্ব ও দেনা পরিশোধের পর যদি কোন সম্পদ অবশিষ্ট থাকে সেই সম্পদ সংস্থার পৃষ্ঠপোষকবৃন্দ ইচ্ছা করলে যে কোন সমাজ সেবা মূলক দেশীয় সংস্থার অথবা নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করতে পারবেন। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
সংস্থার ******* তারিখের সাধারণ সভায় গঠণতন্ত্রটি গৃহীত এবং অনুমোদিত হয়।